৪৫তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফলাফলে সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারে মেধাক্রম ৮ (সুপারিশপ্রপ্ত) হয়েছেন মাগুরা মহম্মদপুরের ফুলবাড়ি গ্রামের আরাফাত শাহীন। দেশের অন্যতম কঠিন ও প্রতিযোগিতামূলক এই পরীক্ষায় শীর্ষ অবস্থানে স্থান পাওয়ায় তাকে অভিনন্দন জানাচ্ছেন পরিবার, শিক্ষক, শুভাকাঙ্ক্ষী ও নহাটার আপামর জনসাধারণ।
শিক্ষাজীবনের শুরু থেকেই আরাফাত শাহীন ছিলেন লক্ষ্যনিষ্ঠ ও পরিশ্রমী। তিনি নহাটা রাণী পতিত পাবনী মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক এবং নহাটা আইডিয়াল কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক সম্পন্ন করেন। পরে তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামী ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন।
তার কর্মজীবনের শুরু হয় শিক্ষকতা দিয়ে। তিনি খর্দ ফুলবাড়ি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। শিশুদের শেখানো, পড়াশোনায় উৎসাহ দেওয়া এবং নিয়মতান্ত্রিক কাজের অভ্যাস তার পেশাগত জীবনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখে।
সর্বশেষ গত ১৭ নভেম্বর ২০২৫, তিনি সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীন প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরে গবেষণা সহকারী/সহকারী কাস্টডিয়ান হিসেবে যোগদান করেন।
ছোটবেলা থেকে আরাফাত শাহীন লিখছেন কবিতা, গল্প, ছড়া, প্রবন্ধ এবং পত্রিকায় নিয়মিত কলাম। শৈশব থেকেই তার সাহিত্যচর্চা অব্যাহত আছে। বই মেলায় প্রকাশিত হয়েছে তার ৪টি বই
▫️এই দেশে এক জুলাই এসেছিল
▫️সীরাতের সৌরভ
▫️খুনশিল্প
▫️লাল সবুজের গল্প
আরাফাত শাহীনের বিসিএস সাফল্যে নহাটা ও আশপাশের এলাকায় উদযাপনের আবহ তৈরি হয়েছে। স্থানীয়রা জানান, তার কঠোর পরিশ্রম এবং নিবেদন আজ পুরো এলাকার সম্মান বাড়িয়ে দিয়েছ।
